মোঃ শহীদুল্লাহ, ১১নং চিরাং ইউআইএসসি, কেন্দুয়া, নেত্রকোণা :(বৃহস্পতিবার ০২ অক্টোবর,২০১৪)
পূর্ব শত্রুতা ও হামলা মামলার জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে কেন্দুয়া উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের দুল্লী গ্রামে দুই দলের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে দ্বীন ইসলাম নামে এক কৃষক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে আহত হয়েছে অন্তত ২০ জন। সংঘর্ষের আগে ও পরে ৪০টি বাড়ি ঘর ভাংচুর ও ২টি ঘরে অগ্নি সংযোগ করা হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দল্লী গ্রামের হুমায়ুন চৌধুরী ও একই গ্রামের নাজিম উদ্দিন মাস্টারের গ্রুপের লোকদের মধ্যে দুল্লী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠন নিয়ে দ্বন্ধে কয়েক মাস আগে থেকেই পাল্টাপাল্টি হামলা ও মামলা চলে আসছে। হুমায়ুন চৌধুরীর লোকদের বিরুদ্ধে একটি দ্রুত বিচার আইন সহ ৪টি পৃথক মামলা দায়ের করে নাজিম উদ্দিনের লোকজন। অপর দিকে নাজিম উদ্দিন মাস্টারের লোকদের বিরুদ্ধে একটি নারী ও শিশু নির্যাতন আইন সহ ৩টি মামলা দায়ের করে হুমায়ুন চৌধুরীর লোকজন। এ নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে প্রতিহিংসা দিনদিনই বেড়ে চলেছে। পুলিশ জানায়, বুধবার হুমুয়ান চৌধুরীর লোকজন দ্রুত বিচার আইনে মামলায় নেত্রকোণা আদালতে হাজিরা দিয়ে কেন্দুয়ায় আসে। সন্ধায় পৌর শহরের নতুন বাস স্ট্যান্ড এলাকায় নাজিম উদ্দিন মাস্টারের গ্রুপের ইসলাম উদ্দিনকে মারপিট করে হুমায়ুনের লোকজন। এ খবর পেয়ে নাজিম উদ্দিনের লোকজন হুমায়ুন ও তার গ্রুপের লোকদের বাড়ি ঘরে হামলা ও ভাংচুর করে। প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে নাজিম উদ্দিনের লোকজন দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে সংগঠিত হয়ে হুমায়ুন ও তার সমর্থকদের বাড়ি ঘরে হামলা ও ভাংচুর চালাতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ সময় হুমায়ুম সমর্থকদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে দ্বীন ইসলাম ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহতদের আশংকা জনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুল্লী গ্রামে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। নেত্রকোণার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন, সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুরত আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কেন্দুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অভিঞ্জন দেব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এ প্রতিনিধিকে বলেন, পূর্ব শত্রুতা ও হামলা মামলার জের ধরেই সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস