Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

শিরোনাম
কালের সাক্ষী নলিনী রঞ্জন সরকারের পরিত্যাক্ত বাড়ি।
বিস্তারিত

কেন্দুয়া উপজেলার সাজিউড়া গ্রামে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে অবিভক্ত ভারতের অর্থমন্ত্রী নলিনী সরকারের বাড়িটি। যথাযথ সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে অনাদার অবহেলায় বাড়িটি আজ ধ্বংসের মুখে। অথচ ঐতিহাসিক এ বাড়িটির করুণ দুরাবস্থা দেখার যেনো কেউ নেই। নেই সরকারী কোন উদ্যোগ। ফলে নষ্ট হচ্ছে লাখ টাকার মূল্যবান সম্পদ। জানা যায়, স্বাধীনতা যুদ্ধের অনেক আগেই ভারতে চলে যান নলিনী রঞ্জন সরকার ও তার সহোদরগণ। কেন্দুয়া নিজ গ্রামে ফেলে রেখে যান প্রায় ৩শ ৫০ একর ফসলি জমি সহ কোটি কোটি মূল্যের স্থাবর অস্থাবর সম্পদ। স্বাধীনতার আগে ও পরে সমস্ত সম্পদ সরকারী অর্পিত সম্পতি হিসাবে ঘোষণা করা হয়। বেশ কয়েক বছর তহসিলদাররা ওই বাড়ির স্থাবর অস্থাবর সম্পদ সংরক্ষন করেন। এমনকি ব্যক্তি মালিকানায় নেওয়ার জন্যও জনৈক টিকেন্দ্র সরকার আদালতে মামলা মোকদ্দমা করেন। অবশেষে আদালত বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ওই বাড়ির স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি সরকারের সম্পদ হিসাবে ঘোষণা দিয়ে রায় প্রদান করেন। আদালতের রায়ের পর উপজেলা ভূমি অফিস থেকে অনেক ফসলি জমি ইজারা প্রধান করা হয়ে আসছে। আবার অনেক জমি ইজারার বাইরেও থেকে যাচ্ছে। সুযোগ সন্ধানী কিছু লোক সরকারের কাছ থেকে ইজারা না নিয়ে অবৈধভাবে দখল করে নিয়ে যাচ্ছে অনেক সম্পদ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভূমি অফিসের এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগাসাজশে অবৈধ দখলদাররা হাতিয়ে নিচ্ছে সরকারী লাখ লাখ টাকার এসব সম্পদ। কিন্তু কালের সাক্ষী হিসাবে দাঁড়িয়ে থাকা নলিনী রঞ্জন সরকারের বাড়িটি সংস্কার ও সংরক্ষনের অভাবে যে কোন সময় ধসে ঘটতে পারে মারাত্মক প্রাণহানির ঘটনা। এ ব্যাপারে সাজিউড়া গ্রামের ইউপি সদস্য শেখর বিশ্বাস বিজয় বলেন, নলিনী সরকারের এ বাড়িটি একটি প্রাচীন ঐতিহ্য। এখনও বিভিন্ন দর্শনার্থী বাড়িটি দেখতে এখানে আসেন। আমরা সরকারের কাছে বাড়িটি সংস্কারের মাধ্যমে ঐতিহ্য রক্ষার জোর দাবি জানাই।

ছবি
ডাউনলোড